৫ আগস্টকে গণতন্ত্রকামী মানুষের বিজয়ের দিন হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ২০২৪ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ঘটে। এই দিনটি এখন ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, স্বৈরাচারের নিপীড়নে গুম, খুন ও বন্দিশালার মতো বিভীষিকাময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে দেশবাসীকে, যেখানে বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর করে ফেলা হয়েছিল।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, স্বৈরাচারের হাত থেকে মুক্তি পেতে এ দেশের ছাত্র, শ্রমিক, কৃষকসহ সর্বস্তরের মানুষ জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। আন্দোলনে শহীদ হওয়া আবু সাঈদ, মুগ্ধসহ অসংখ্য সাহসী তরুণের আত্মত্যাগ এবং হাজার হাজার মানুষের পঙ্গুত্ব বরণের বিনিময়ে অর্জিত এই বিজয় বিশ্ব ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত। তিনি শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, একটি সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই তাদের আত্মত্যাগের ঋণ শোধ করতে হবে।
সবশেষে প্রধানমন্ত্রী কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বাংলাদেশে ভবিষ্যতে কখনোই স্বৈরাচার বা উগ্রবাদের ঠাঁই হবে না। ১৯৭১ সালে যেমন দেশ স্বাধীন হয়েছিল, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান ছিল সেই স্বাধীনতা ও জনগণের ভোটাধিকার রক্ষার লড়াই। তিনি সকল রাজনৈতিক দল ও মতের মানুষের প্রতি আহ্বান জানান যেন জাতীয় ঐক্যের এই ধারা বজায় থাকে এবং ভিন্নমত যেন কখনো শত্রুতায় রূপ না নেয়।