বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
Title :
ঈদ পুনর্মিলনীতে ডা. শফিক ইসলামী ব্যাংক নিয়ে টানাটানির সুযোগ দেব না কুলিয়ারচরে দ্বারিয়াকান্দি-ডুমরাকান্দা সড়কে ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে দুইটি দূর্ঘটনা-টনক নড়েনি কর্তৃপক্ষের মাদক ও বাল্য বিবাহ নিরোধে জেলা প্রশাসকের সচেতনাতামূলক সভা জামালপুরে পুকুর থেকে অটোভ্যান সহ এক নবমুসলিমের লাশ উদ্ধার চট্টগ্রাম বাঁশখালীতে পিকআপ-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষ: যুবক নিহত, আশঙ্কাজনক অবস্থায় চমেকে ৩ ফটিকছড়িতে বাসের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত: উত্তপ্ত মহাসড়ক, বাসে অগ্নিসংযোগ চট্টগ্রাম শাহ আমানতে যৌথ অভিযান: ৩৪ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেটসহ আটক ৩ চট্টগ্রামে আবার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, নগরজুড়ে তোলপাড় ​জিইসি মোড় এলাকায় শতাধিক নেতাকর্মীর স্লোগান, ভিডিও ভাইরাল জামালপুরে হিটস্ট্রোকে এক কৃষকের মৃ/ত্যু কুলিয়ারচরে দ্বারিয়াকান্দি-ডুমরাকান্দা সড়কে ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে দুইটি দূ/র্ঘটনা-টনক নড়েনি কর্তৃপক্ষের

সংসদীয় ক্যু করে আমাকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল: কর্নেল অলি

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬
  • ২৮ Time View
42

ডেস্ক রিপোর্ট:
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীর বিক্রম) বলেছেন, সংসদীয় ক্যু করে আমাকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল কিন্তু আমি রাজি হয়নি।

পাবলিক ইনভেস্টিগেশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

কর্নেল অলি আহমদ বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের ১৪৩ এমপি, বিএনপির ৪০ জন মিলে মোট ১৮৩ জন একটি সংসদীয় ক্যু করতে চেয়েছিল। তারা আমাকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। আমি প্রথম দুই দিন রাজি হয়েছিলাম কিন্তু তৃতীয় দিনে আর রাজি হয়নি। সেই দিন আমি বলেছিলাম, এমন বেইমানি, মুনাফেকি আমি বেগম জিয়ার সাথে করতে পারবো না।

কর্নেল অলি আহমদ ৬ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। ৩ বার মন্ত্রী হয়েছেন। তিনি বলেন, সেই সময় ঐ এমপিরা সংসদে একটি বিল আনতে চেয়েছিল। সেই বিলের মাধ্যমে মূলত ক্যু করতে চেয়েছিল।

এলডিপির চেয়ারম্যান বলেন, জিয়াউর রহমান আমাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বানাতে চেয়েছিলেন। তিনি বলে ছিলেন, নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসলে আমাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বানাবেন। কিন্তু অনেক মন্ত্রী তার কান ভারী করেছিলেন তাই আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীকে তার এমপিদের সামাল দেওয়ার অনুরোধ করবো। তিনি যদি সামাল দিতে না পারেন তাহলে প্রধানমন্ত্রীই বিপদে পড়বেন। এমপিদের কাজ হচ্ছে আইন প্রণয়ন করা। কিন্তু এখন এমপিদের সাথে ডিসি-এসপিদের থাকতে হয়। রাজনৈতিক মিটিংয়ে তাদেরকে রাখা কোনোভাবেই ঠিক না। প্রশাসনকে সব সময়ই এমপিদের কাছ থেকে দূরে রাখতে হবে। তাহলেই মানুষ ন্যায় বিচার পাবে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে একাধিক সোর্স আছে। সেইগুলোকে কাজে লাগিয়ে তার রিপোর্ট নেওয়া উচিত। স্বশিক্ষিত লোকেরা এলাকায় কী ধরনের অত্যাচার করছেন। কী ধরনের চাঁদাবাজি করছে। এটাতো প্রধানমন্ত্রীরই দায়িত্ব। তারই এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। এ ধরনের ৫-১০টা এমপিকে জেলে দিলে বিএনপির কোনো ক্ষতি হবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com