ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল মেক্সিকোর। আক্রমণে চেপে ধরে নবম মিনিটে প্রথম গোল আদায় করে তারা। দ্বিতীয়ার্ধের ৬৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রাউল জিমিনেজ। ম্যাচের বাকিটা সময় আরও কিছু সুযোগ কাজে লাগালে ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো।
অন্যদিকে, প্রতিপক্ষকে কাঁপিয়ে দেয়ার মতো কোনো আক্রমণই করতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। বল দখল, আক্রমণ থেকে শুরু করে সবকিছুতেই পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ ছিল মেক্সিকোর। তবে ম্যাচের সবচেয়ে বড় হাইলাইট ছিল ৩ লাল কার্ড। দুই দল মিলিয়ে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই লাল কার্ড দেখেছেন ৩ জন।
পরিসংখ্যানের দিক থেকে, পুরো ম্যাচের ৬১ শতাংশ বল দখলে ছিল মেক্সিকোর, অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার পায়ে ছিল ৩৯ শতাংশ। গোলে শট এবং অন টার্গেট শট সবকিছুতেই যোজন যোজন এগিয়ে মেক্সিকো। মেক্সিকো শট নিয়েছে ১৫টি, দক্ষিণ আফ্রিকা ৪টি। লক্ষ্য বরাবর মেক্সিকোর শট ছিল ৫টি, আফ্রিকার ৩টি।
ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় মেক্সিকো। তবে সেই সুযোগ হাতছাড়া করেন রাউল জিমিনেজ। তার বা পায়ের জোড়ালো শট ঠেকিয়ে দেন আফ্রিকান গোলকিপার রোনেন উইলিয়ামস। নবম মিনিটে অবশ্য সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে প্রথম গোল এনে দেন হুলিয়ান।
১৯তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পান হুলিয়ান। তবে এবার শট গোলে রাখতে পারেননি, বারের সামান্য উপর দিয়ে বল চলে যায়।
প্রথমার্ধের শেষদিকে আরও কিছু সুযোগ হাতছাড়া করে মেক্সিকো। তাতে ব্যবধান আর বাড়ানো হয়নি স্বাগতিকদের। এক গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় তারা।