চট্টগ্রাম রেঞ্জে মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ১৭২ গ্রেফতার, সাজা ৮৪ জনের
Reporter Name
Update Time :
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
৫
Time View
চট্টগ্রাম রেঞ্জে মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ১৭২ গ্রেফতার, সাজা ৮৪ জনের
জাহাঙ্গীর আলম বিশেষ প্রতিনিধিচট্টগ্রাম রেঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য পাওয়া গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রেঞ্জের ১১টি জেলায় একযোগে পরিচালিত ঝটিকা অভিযানে ইয়াবাসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রেফতার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মোট ২৫৬ জন মাদক কারবারি ও সেবনকারীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ আগস্ট রেঞ্জের বিভিন্ন জেলার ১৬৫টি পয়েন্টে এই সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অভিযানে ১৬ হাজার ৮১৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩২ কেজি ৫৭০ গ্রাম গাঁজা, ১০১ লিটার চোলাই মদ, ২১৪ বোতল স্কফ, ৭৫০ মিলিলিটার বিদেশি মদ এবং ৭০টি বিয়ার ক্যান...
7
জাহাঙ্গীর আলম বিশেষ প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম রেঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য পাওয়া গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রেঞ্জের ১১টি জেলায় একযোগে পরিচালিত ঝটিকা অভিযানে ইয়াবাসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রেফতার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মোট ২৫৬ জন মাদক কারবারি ও সেবনকারীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ আগস্ট রেঞ্জের বিভিন্ন জেলার ১৬৫টি পয়েন্টে এই সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অভিযানে ১৬ হাজার ৮১৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩২ কেজি ৫৭০ গ্রাম গাঁজা, ১০১ লিটার চোলাই মদ, ২১৪ বোতল স্কফ, ৭৫০ মিলিলিটার বিদেশি মদ এবং ৭০টি বিয়ার ক্যান উদ্ধার করা হয়।
অভিযানের প্রধান দিকসমূহ:
গ্রেফতার ও মামলা: মাদক আইনে মোট ৫৭টি নতুন মামলা দায়ের করে ১৭২ জন কারবারিকে গ্রেফতারপূর্বক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত: তাৎক্ষণিক বিচারকার্য পরিচালনা করে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৮৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ১৭ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানের ব্যাপ্তি: রেঞ্জের অধীনস্থ ১১টি জেলার মোট ১৬৫টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে একযোগে এই অভিযান চালানো হয়।
চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুবসমাজকে মাদকের গ্রাস থেকে রক্ষা করতে এবং মাদকের মূল শিকড় উপড়ে ফেলতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক কারবারিদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে পুলিশ প্রশাসন।