রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
Title :
সিংড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী কুরবান আলী কাজলের নির্বাচনী গণসংযোগ ও মতবিনিময় নাটোরে জমকালো আয়োজনে ৭ম আঞ্চলিক কাব ক্যাম্পুরী–২০২৬ শুরু গুরুদাসপুরে রাশিদ-নিলু ফাউন্ডেশনের মানবিক সহায়তা: পেলেন ক্যান্সার রোগী ও মেধাবী শিক্ষার্থী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসন ভবনে স্থায়ী মসজিদের শুভ উদ্বোধন ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতার জন্য টাকা নিলেই কঠোর ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী পুতুল গুরুদাসপুরে অভিনব কায়দায় ঘরের দরজা আটকে ৫ গরু চুরি রামগঞ্জে বিনামূল্যে ৭ শতাধিক অসহায় মানুষকে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান শেরপুরে সাড়ে ৮ লাখ টাকার ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ, থামছে না চোরাচালান সিন্ডিকেট নাটোরে সিংড়া স্মার্ট প্রেস ক্লাবে ‘স্মার্ট সাহিত্য পাঠাগার’ উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল রামগঞ্জে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় প্রবাসী যুবককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মাহফুজ আটক

এবার অবৈধ সম্পদ ও অর্থপাচার মামলায় সাহেদ করিম গ্রেফতার

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪৪ Time View
52

অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থপাচারের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার দেখিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে করা একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারিক আদালত এই আদেশ দেন। এর মাধ্যমে বহুল আলোচিত এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে চলা অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে আরও একটি দুর্নীতি মামলার আইনি কার্যক্রম যুক্ত হলো।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের মার্চ মাসে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী বাদী হয়ে সাহেদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। দীর্ঘ তদন্ত প্রক্রিয়া শেষে দুদক ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে মোহাম্মদ সাহেদ এবং তার স্ত্রী সাদিয়া আরবীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং মানিলন্ডারিংয়ের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সাহেদের স্ত্রী সাদিয়া আরবী তার জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে বড় অংকের সম্পদের তথ্য গোপন করেছিলেন এবং তার নিজের কোনো নির্ভরযোগ্য আয়ের উৎস ছিল না। মূলত সাহেদ অবৈধ পন্থায় ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ তার স্ত্রীর নামে স্থানান্তর ও রূপান্তর করে এই সম্পদ গড়ে তুলতে সহায়তা করেছিলেন। এসব অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

এদিকে মামলার শুনানিকালে সাহেদের পক্ষে আইনজীবীরা জামিন আবেদন করলেও আদালত তা আমলে নেননি। প্রতারণা, জালিয়াতি ও চেক ডিজঅনারসহ বিভিন্ন অভিযোগে সাহেদ ইতোমধ্যে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে কারাবাস করছেন। সম্প্রতি ব্যাংক ঋণখেলাপি ও অন্যান্য মামলার পরোয়ানায় তাকে নতুন করে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমান আইনি আদেশের ফলে তার কারাবাসের মেয়াদ আরও দীর্ঘায়িত হলো।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com