জাহাঙ্গীর আলম, বিশেষ প্রতিনিধি: প্রতিকূল আবহাওয়ায়ও নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) প্রায় ৩ হাজার ৩০০ পরিচ্ছন্ন শ্রমিকের মাঝে রেইনকোট বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে শ্রমিকদের হাতে রেইনকোট তুলে দিয়ে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র বলেন, “একটি ‘ক্লিন সিটি’ বা পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে পরিচ্ছন্ন কর্মীদের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের নিরলস পরিশ্রমের ওপরই নগরবাসীর স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জীবনমান অনেকাংশে নির্ভর করে। বৃষ্টি কিংবা যেকোনো প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণেও যাতে নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যেই প্রতিটি কর্মীকে রেইনকোট দেওয়া হচ্ছে।” এ সময় পরিচ্ছন্ন...
3
জাহাঙ্গীর আলম, বিশেষ প্রতিনিধি:
প্রতিকূল আবহাওয়ায়ও নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) প্রায় ৩ হাজার ৩০০ পরিচ্ছন্ন শ্রমিকের মাঝে রেইনকোট বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে শ্রমিকদের হাতে রেইনকোট তুলে দিয়ে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র বলেন, “একটি ‘ক্লিন সিটি’ বা পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে পরিচ্ছন্ন কর্মীদের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের নিরলস পরিশ্রমের ওপরই নগরবাসীর স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জীবনমান অনেকাংশে নির্ভর করে। বৃষ্টি কিংবা যেকোনো প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণেও যাতে নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যেই প্রতিটি কর্মীকে রেইনকোট দেওয়া হচ্ছে।”
এ সময় পরিচ্ছন্ন কর্মীদের কল্যাণে সরকারের নানা উদ্যোগের কথা স্মরণ করে মেয়র বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চসিকের প্রতিটি পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে দুই ঈদেই জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা করে ঈদ উপহার দিয়েছেন। এছাড়া তাদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারি অর্থায়নে আবাসন নির্মাণের উদ্যোগও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী দেশটাকে যেভাবে পরিচ্ছন্ন-সুন্দর হিসেবে গড়তে চাচ্ছেন, সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে আপনাদের রাজপথে ভূমিকা রাখতে হবে।”
অনুষ্ঠানে ময়লা পরিবহনের ক্ষেত্রে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে মেয়র বলেন, খোলা ট্রাকে ময়লা পরিবহন করলে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং সড়কে বর্জ্য পড়ে পরিবেশ দূষিত হয়। তাই প্রতিটি গাড়িতে নির্ধারিত নিয়ম মেনে আবর্জনা অবশ্যই ঢেকে পরিবহন করতে হবে।
একই সাথে পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে ডা. শাহাদাত হোসেন সতর্কবাণী উচ্চারণ করে বলেন, “প্রত্যেক পরিচ্ছন্ন কর্মীর নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। কোনো কর্মী দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করলে কিংবা কাজে ফাঁকি দিলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দায়িত্বে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই।”
চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশাসন, পরিচ্ছন্ন কর্মী এবং নগরবাসী—সবার সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন মেয়র।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মোঃ শরফুল ইসলাম মাহি, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, মেয়রের একান্ত সহকারী জিয়াউর রহমান জিয়া ও মারুফুল হক চৌধুরী (মারুফ) প্রমুখ।