সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন
Title :
নেইমারকে নিয়ে আনচেলত্তির সিদ্ধান্ত ভুল, বলেছেন ব্রাজিলের সাবেক ফুটবলার ২০২৭ সালের গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ এইচএসসির তৃতীয় দিনে বহিষ্কার ৫০ শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী প্রতিশোধ-প্রতিহিংসার রাজনীতি বিশ্বাস করেন না: চিফ হুইপ জুন মাসে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ সাবেক ছাত্রলীগ নেতার কাছ থেকে ক্রেস্ট নিলেন কুমিল্লার ডিসি আমেরিকাকে হাঁটু গেড়ে বসিয়েছে ইরান, ভারতীয় পন্ডিতের বক্তব্য ভাইরাল তেহরানে খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে জনসমুদ্র শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা নেই: রুমিন ফারহানা কাজের অর্ধেকই খেয়ে ফেলেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী

ইসরাইল ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহলের নীরবতায় ক্ষুব্ধ ইরানের প্রেসিডেন্ট

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ১৪ Time View
27

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের কর্মকাণ্ড থামাতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ব্যর্থতা এবং নীরবতার তীব্র সমালোচনা করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

তিনি অভিযোগ করেন, ইসরাইল যখন প্রকাশ্যে গুপ্তহত্যা ও নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলার কথা বলছে, তখনও বৈশ্বিক সংস্থাগুলো সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করছে।

শনিবার (৪ জুন) তেহরানের সামিট হলে নিহত সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্মরণে আয়োজিত ‘লিডার অব রেজিস্ট্যান্স: ইমাম খোমেনি ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স’-এ তিনি এসব কথা বলেন।

পেজেশকিয়ান বলেন, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও মানবাধিকার রক্ষাকারীদের কাছ থেকে এ ধরনের আগ্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধের প্রত্যাশা করা হয়েছিল। কিন্তু এর পরিবর্তে উল্টো আক্রমণকারীদের রাজনৈতিক ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন, ইসরাইল এই অঞ্চলের একাধিক দেশে হামলা চালিয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চলমান নানাবিধ সংকট ও অস্থিতিশীলতার জন্য তারা সরাসরি দায়ী। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মুসলিম দেশগুলো কখনোই এ ধরনের কোনো আগ্রাসনের সূচনা করেনি।

ইসলামি সম্প্রদায়ের ‘নতুন নেতৃত্বের’ যাত্রার কথা উল্লেখ করে পেজেশকিয়ান বলেন, বর্তমান নেতৃত্বের কাঁধে এক বিশাল দায়িত্ব রয়েছে। তার সরকার ইসলামি বিপ্লবের আদর্শ সমুন্নত রাখতে, ইসলামি ঐক্য জোরদার করতে এবং মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে সংহতি বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লা মসজিদে হাজার হাজার শোকাহত মানুষের উপস্থিতিতে খামেনির জানাজা শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় খামেনি নিহত হন। এর জের ধরে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা তীব্র সংঘাতের পর এপ্রিলে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি এবং পরবর্তীতে জুনে একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সরকারি কর্মসূচি অনুযায়ী, সপ্তাহজুড়ে তেহরানে বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ধর্মীয় নেতাদের অংশগ্রহণে স্মরণসভা চলতে থাকবে। শনি ও রোববার জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সোমবার তেহরানে মূল জানাজার মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৭ জুলাই খামেনির মরদেহ পবিত্র নগরী ক্বোমে নিয়ে যাওয়া হবে।

পরদিন ৮ জুলাই ইরাকের বাগদাদ, নাজাফ এবং কারবালায় ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মরদেহ প্রধান শিয়া মাজারগুলোতে নেওয়া হবে। সবশেষে ৯ জুলাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে অবস্থিত শিয়া মুসলমানদের অন্যতম পবিত্র স্থান ইমাম আলী রেজা মাজারে তার চূড়ান্ত জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com