ইরারেন ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের জবাব ইরান দেবে বলে জানিয়েছেন দেশটির একজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী খামেনির রেখে যাওয়া উত্তরাধিকার ও আদর্শ অনুসরণ করে সামরিক সক্ষমতা আরও জোরদার করবে।
ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান ও উপ-সমন্বয়কারী রিয়ার অ্যাডমিরাল হাবিবুল্লাহ সায়ারি বলেন, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধশক্তি গড়ে তোলার পেছনে খামেনেইয়ের নেতৃত্ব ছিল মূল চালিকাশক্তি।
খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়া শোকাহতদের জন্য নির্মিত একটি সেনা আবাসন কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় সায়ারি বলেন, ইরানের সামরিক বাহিনীর বর্তমান অর্জনের ভিত্তি প্রয়াত নেতার দিকনির্দেশনা।
তার ভাষায়, “আজ আমরা যা অর্জন করেছি, তা আমাদের শহীদ নেতার পথনির্দেশনার ফল। ভবিষ্যতেও আমরা তাঁর আদর্শ অনুসরণ করেই এগিয়ে যাব।”
কোরআনের নির্দিষ্ট আয়াতে বাংলাদেশকে কী বার্তা দিল ইরান?
তিনি আরও বলেন, “আমরা আমাদের শহীদ নেতার উত্তরাধিকার বহন করে চলব। এটাই আমাদের অঙ্গীকার এবং এ লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাব।”
সায়ারির দাবি, সাম্প্রতিক মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের পর শত্রু সম্পর্কে ইরানের উপলব্ধি আরও গভীর হয়েছে এবং সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দেশটির সামরিক সক্ষমতা ধারাবাহিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার প্রথম দিন তেহরানে খামেনেইয়ের কার্যালয়ে হামলায় তিনি নিহত হন। ওই ঘটনার পর ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা এবং ইসরায়েল-অধিকৃত এলাকার বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করে।
ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা এর আগেও জানিয়েছেন, খামেনির হত্যাকাণ্ডের জবাব দেওয়া হবে এবং এ ঘটনাকে তারা বিনা প্রতিক্রিয়ায় ছেড়ে দেবে না।