মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০২:২৩ পূর্বাহ্ন
Title :
সাভারে ককটেল বিস্ফোরণ, তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের আগে কিয়েভে হামলা, নিহত ১৪ ভারি বর্ষণে খুঁটি ভেঙে বান্দরবানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ সৌদি প্রবাসীদের যে বিষয়ে সতর্ক করল দূতাবাস ইসরায়েলের হাত ছাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র? নিউইয়র্কে জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে ‘প্যাট্রিয়টস অব বাংলাদেশ’-এর জরুরি সভা সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৩ চসিকের ৩,৩০০ পরিচ্ছন্ন কর্মীকে রেইনকোট দিলেন মেয়র ডা. শাহাদাত খাগড়াছড়ি রামগড়ে চাঞ্চল্যকর শিশু ধর্ষণ মামলা: ১ বছরের মাথায় আসামির মৃত্যুদণ্ড চট্টগ্রাম মীরসরাই শাহ্জী বাজার সেতুতে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা: সংস্কার নেই  দীর্ঘদিন

না ফেরার দেশে বাংলার প্রখ্যাত বাউল শিল্পী সুনীল কর্মকার

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৪৯ Time View
180

নিজস্ব প্রতিবেদক, মোঃ মাইন উদ্দিন :

বাংলার প্রখ্যাত বাউল শিল্পী সুনীল কর্মকার আর নেই। আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে চারটায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে নিজ এলাকা নেত্রকোনার কেন্দুয়াসহ পুরো বাউল অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সুনীল কর্মকার ১৯৫৯ সালের ১৫ জানুয়ারি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার বান্দনাল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই সংগীতের প্রতি তার গভীর অনুরাগ ছিল। মাত্র সাত বছর বয়সে গানের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন তিনি। ভরাট ও আবেগঘন কণ্ঠে যেকোনো আসর মাতিয়ে তোলার অসাধারণ ক্ষমতা ছিল তার।
কণ্ঠসংগীতের পাশাপাশি বেহালা, দোতারা, তবলা ও হারমোনিয়ামসহ একাধিক বাদ্যযন্ত্র বাজাতেও সমান পারদর্শী ছিলেন এই গুণী শিল্পী। প্রখ্যাত বাউলশিল্পী ওস্তাদ জালাল উদ্দিন খাঁর গান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বাউল সংগীতের পথে আত্মনিয়োগ করেন।

ওস্তাদ জালাল উদ্দিন খাঁর অসংখ্য গানে সুরারোপ ও কণ্ঠ দিয়েছেন সুনীল কর্মকার। তার পরিবেশিত বহু গান জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এছাড়া তিনি নিজেও প্রায় দুই শতাধিক গান রচনা করেছেন, যা বাউল ও লোকসংগীত ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় বাউল সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, সুনীল কর্মকার দীর্ঘদিন ধরে বাউল গান ও লোকসংগীতের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে আধ্যাত্মিক চেতনা ও মানবতার বাণী পৌঁছে দিয়েছেন।

লোকজ ঐতিহ্যের একজন প্রকৃত ধারক হিসেবে তিনি শ্রোতাদের কাছে ছিলেন অত্যন্ত প্রিয়। একতারা ও দোতারার সুরে তার কণ্ঠের বিশেষ আবেদন মানুষকে গভীরভাবে ছুঁয়ে যেত। তার গানে জীবনদর্শন, মানবপ্রেম ও স্রষ্টার প্রতি ভক্তির বার্তাই প্রধান হয়ে উঠত। “মানুষ ধরো, মানুষ ভজো”সহ বিভিন্ন গানে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।

কেন্দুয়া জালাল পরিষদের সদস্য আয়েশ উদ্দিন ভূঁইয়া সাংবাদিকদের বলেন, “বাউল সুনীল কর্মকার ছিলেন জালাল ভাবশিষ্য ও একজন কালজয়ী শিল্পী। তার শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।”

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও ভক্ত রেখে গেছেন

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com