জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দায়িত্ব সেনাবাহিনীকে হস্তান্তরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ৪ আগস্ট সংঘটিত হামলার বিচার দাবি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তি। উপাচার্যের আহ্বানে আয়োজিত সমঝোতা বৈঠকে সংগঠন দুটির নেতারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, ওই হামলার সুনির্দিষ্ট বিচার না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের আপস বা সমঝোতায় তারা যাবেন না। বৈঠকে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদের উপস্থিতিতে সমঝোতার প্রস্তাব দেওয়া হলেও জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম এবং শিবির সভাপতি আব্দুল আলিম আরিফ তা প্রত্যাখ্যান করেন।
অন্যদিকে, ক্যাম্পাসে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে একটি লিখিত ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ বা আচরণবিধি প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে ছাত্রদল। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম জানান, ক্যাম্পাসে কোনো সংগঠনের একক আধিপত্য যেন না থাকে এবং পারস্পরিক সহাবস্থান নিশ্চিত করা যায়, সেজন্যই এই নীতিমালা জরুরি। ভবিষ্যতে সংঘাত এড়িয়ে সমন্বয় ও আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করা হবে বলে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।
ছাত্রশক্তির সভাপতি মো. শাহিন মিয়া অভিযোগ করে বলেন, সমঝোতা বৈঠকের বিষয়ে আগে থেকে তাদের জানানো হয়নি। তবে প্রশাসনের অনুরোধে তারা বৈঠকে অংশ নিলেও হামলার বিচারের দাবিতে অনড় রয়েছেন। অপরাধী যে সংগঠনেরই হোক, তাদের আইনের আওতায় না আনা পর্যন্ত সমঝোতার কোনো সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ছাত্রশক্তি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ও সব সংগঠনের সম্মতিতে একটি কার্যকর নীতিমালা তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।