ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআরসি) ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে চলেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজার ছাড়িয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা দুই হাজার অতিক্রম করেছে। গত তিন সপ্তাহে মৃত্যুর হার দ্বিগুণ হওয়ায় কঙ্গোর ভঙ্গুর স্বাস্থ্যব্যবস্থা চরম চাপের মুখে পড়েছে। ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের ভয়াবহ মহামারির পর এটিই ইবোলার সবচেয়ে বড় প্রাদুর্ভাব হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের বেতন বকেয়া থাকায় তারা ধর্মঘটের পথ বেছে নিয়েছেন, যা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছে। এছাড়া স্থানীয়দের ভুল ধারণা, গুজব এবং মৃতদেহ সৎকারের প্রথাগত নিয়ম ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে দিতে সহায়তা করছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, বর্তমানে কঙ্গোতে ছড়িয়ে পড়া ইবোলার ধরনটি বিরল এবং এর বিরুদ্ধে কোনো অনুমোদিত প্রতিষেধক বা টিকা এখনো নেই। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একটি পরীক্ষামূলক টিকা প্রয়োগ শুরু করেছে, তবে চূড়ান্ত ফল পাওয়ার জন্য দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন।
কঙ্গোর এই সংকটময় পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সম্প্রতি কঙ্গো ফেরত এক ইসরায়েলি নাগরিকের শরীরে জ্বরের উপসর্গ দেখা দেওয়ায় তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। ইবোলা সংক্রমণ মোকাবিলায় এবং এই ভাইরাসের বিস্তার রোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।