মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর (আইআরজিসি) ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে এসব ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যভ্রષ્ટ বা ধ্বংস করা হয়েছে এবং আমেরিকান বাহিনী সতর্ক অবস্থায় রয়েছে—এই তথ্য জানায় আল জাজিরা।
ঘটনাটি নিশ্চিত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক তেলবাজারে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়; কাঁচামাল তেলের দাম প্রায় ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮২ মার্কিন ডলারে উঠে আসে। আগেভাগেই ওয়াশিংটন বিমানহয়তা স্থগিত করার ঘোষণা দিয়ে দিনের শুরুতে তেলের দাম নেমে গিয়েছিল, তখনই যুক্তরাষ্ট্র ও তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য পুনরায় আলোচনার খবর উঠে এসেছিল।
ব্যাপক প্রেক্ষাপটটি হলো—মিশিগানে ২৭ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করেছেন যে আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে; তেহরান উপস্হিত মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যোগাযোগ থাকলেও সরাসরি কোনো আলোচনার কথা অস্বীকার করেছে। চলতি ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর নতুন করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘর্ষ শুরু হয়, জুনে সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়েছিল, কিন্তু হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে হামলার অঙ্গভঙ্গি ও উত্তেজনার জেরে এর মেয়াদ ভাঙে এবং ১৩ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্র আবার বিমান হামলা ও সামরিক অভিযান শুরু করে। প্রায় তেরো রাতের হামলার পর গত শুক্রবার থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান নিবারিত করা হয়; কিছু আমেরিকান সংবাদমাধ্যম বলেছে সরঞ্জাম ঘাটতির কারণে স্থগিত রাখা হয়েছে, কিন্তু ট্রাম্প দাবি করেছেন তিনি মধ্যস্থতাকারীদের অনুরোধে কার্যক্রম স্থগিত রেখেছেন।