২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন; সংবিধান অনুসারে এই পদটি পাঁচ বছরের জন্য থাকলেও তিন বছর তিন মাস দায়িত্ব পালনের পর তিনি পদত্যাগ করেন। ২৬ জুলাই বঙ্গভবন ত্যাগের মাধ্যমে তার কাজকর্ম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব দেখছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন—এ নিয়ে প্রচুর আলোচনা চলছে এবং মানুষ নানা নাম উত্থাপন করছেন।
নেটিজেনদের মন্তব্যে খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খানসহ কয়েকজনের নাম প্রধানভাবে উঠে এসেছে; কিছু পোস্টে মেজর হাফিজের নামও দেখা যায়। সাজ্জাদ শুভ তালিকাভুক্ত কয়েকজনের পাশাপাশি সৈয়দ রেফাত আহমেদের মতো ব্যক্তিকে বাইরের স্বতঃস্ফূর্ত পছন্দ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রফিক ইকবাল মতামতে বলেছেন যে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক কাউকে প্রত্যাশা করা উচিত এবং পাঠকদের প্রতিক্রিয়া চেয়েছেন।
কেবল সাধারণ মন্তব্য নয়; কিছু বিশ্লেষক ও রাজনৈতিক নেতারাও প্রস্তাব দিচ্ছেন—কামাল হোসাইন প্রস্তাব দিয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিবেচনা করার কথা, এবং এ প্রসঙ্গে সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহম্মেদকে উদাহরণ হিসেবে টেনেছেন। মীর আমিনুল ইসলামও ড. ইউনুসের নাম তুলেছেন। তানভীর রিজভী লিখেছেন আগামী ৯০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত হবে এবং মিরজা ফখরুলকে জনপ্রিয় উপমণি হিসেবে উল্লেখ করেছেন; তিনি আরও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমেদসহ কয়েকজনকে সম্ভাব্য বলে দেখেন। মো. নাজমুল হুদা নাসিম ব্যক্তিগতভাবে ডা. জোবাইদা রহমানকে এগিয়ে মনে করেছেন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়াই পরবর্তী রাষ্ট্রপতির নাম নির্ধারণ করবে।