দুই দেশের সীমান্তে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন রাঙামাটির বড়থলি ইউনিয়ন: মানবেতর জীবনযাপন করছেন বাসিন্দারা
Reporter Name
Update Time :
সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
৪
Time View
দুই দেশের সীমান্তে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন রাঙামাটির বড়থলি ইউনিয়ন: মানবেতর জীবনযাপন করছেন বাসিন্দারা
জাহাঙ্গীর আলম বিশেষ প্রতিনিধিভারতের মিজোরাম এবং মিয়ানমারের চিন রাজ্যের সীমান্তবর্তী সবুজ পাহাড়ঘেরা রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার বড়থলি ইউনিয়ন এক অবহেলিত জনপদ। ২৭৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই এলাকায় প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ বসবাস করলেও আধুনিক নাগরিক সুবিধার ছোঁয়া এখনও সেখানে পৌঁছায়নি। ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা ও দুর্গম পাহাড়ের কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।রাইখ্যং হ্রদের তীরে গড়ে ওঠা এই ইউনিয়নে ২০১৩ সালে দুটি ওয়ার্ড নিয়ে নতুন প্রশাসন চালুর পর থেকে নানামুখী সংকটে জর্জরিত জনজীবন। ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার চিত্রগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার অভাব: পুরো এলাকায় একটিও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র না থাকায় শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত...
6
জাহাঙ্গীর আলম বিশেষ প্রতিনিধি
ভারতের মিজোরাম এবং মিয়ানমারের চিন রাজ্যের সীমান্তবর্তী সবুজ পাহাড়ঘেরা রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার বড়থলি ইউনিয়ন এক অবহেলিত জনপদ। ২৭৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই এলাকায় প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ বসবাস করলেও আধুনিক নাগরিক সুবিধার ছোঁয়া এখনও সেখানে পৌঁছায়নি। ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা ও দুর্গম পাহাড়ের কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
রাইখ্যং হ্রদের তীরে গড়ে ওঠা এই ইউনিয়নে ২০১৩ সালে দুটি ওয়ার্ড নিয়ে নতুন প্রশাসন চালুর পর থেকে নানামুখী সংকটে জর্জরিত জনজীবন। ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার চিত্রগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার অভাব: পুরো এলাকায় একটিও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র না থাকায় শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত মানুষ।
যোগাযোগ ও নেটওয়ার্ক সংকট: মোবাইল নেটওয়ার্কের অনুপস্থিতি এবং কোনো স্থায়ী বাজার না থাকায় স্থানীয়দের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।
অন্য জেলায় প্রশাসনিক কার্যক্রম: বড়থলি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কাজ পরিচালনার জন্য পার্শ্ববর্তী বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলার ওপর নির্ভর করতে হয়।
প্রয়োজনীয় নাগরিক সনদ বা নিত্যপ্রয়োজনীয় কেনাকাটার জন্য এই এলাকার বাসিন্দাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রায় ২৭ কিলোমিটার দুর্গম পাহাড়ি পথ পায়ে হেঁটে লোকালয়ে যাতায়াত করতে হয়। অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই জনপদে বসবাসরত মানুষগুলো তাই বছরের পর বছর ধরে বঞ্চনা ও কষ্টের মাঝেই দিন কাটাচ্ছেন।