রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫২ পূর্বাহ্ন
Title :
রামগঞ্জে বাসার ছাদে গাঁজা চাষ, ৫ ফুট গাছসহ আটক ১ সিংড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী কুরবান আলী কাজলের নির্বাচনী গণসংযোগ ও মতবিনিময় নাটোরে জমকালো আয়োজনে ৭ম আঞ্চলিক কাব ক্যাম্পুরী–২০২৬ শুরু গুরুদাসপুরে রাশিদ-নিলু ফাউন্ডেশনের মানবিক সহায়তা: পেলেন ক্যান্সার রোগী ও মেধাবী শিক্ষার্থী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসন ভবনে স্থায়ী মসজিদের শুভ উদ্বোধন ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতার জন্য টাকা নিলেই কঠোর ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী পুতুল গুরুদাসপুরে অভিনব কায়দায় ঘরের দরজা আটকে ৫ গরু চুরি রামগঞ্জে বিনামূল্যে ৭ শতাধিক অসহায় মানুষকে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান শেরপুরে সাড়ে ৮ লাখ টাকার ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ, থামছে না চোরাচালান সিন্ডিকেট নাটোরে সিংড়া স্মার্ট প্রেস ক্লাবে ‘স্মার্ট সাহিত্য পাঠাগার’ উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল

গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে শাহ আবদুল করিমের ছেলের মামলা, ২০ কোটি ক্ষতিপূরণ দাবি

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১২৩ Time View
162

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) ঢাকা জেলা জজ আদালতে শাহ আবদুল করিমের একমাত্র পুত্র ও কপিরাইট উত্তরাধিকারী শাহ নূর জালাল বাদী হয়ে এ মামলা করেন। মামলায় গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহীসহ মোট ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ ও আইনজীবীর নোটিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রামীণফোন কোনো ধরনের অনুমতি বা লাইসেন্স ছাড়াই শাহ আবদুল করিমের কপিরাইটযুক্ত গানগুলো পুনরুৎপাদন, প্রচার, ডিজিটাল মাধ্যমে আপলোড এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করেছে। বিশেষভাবে ‘রেশমা বালুচ’ এবং ‘কোন মিছির কোন বানাইছ’ — এই দুটি গান ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন টিভি বিজ্ঞাপন ও ডিজিটাল প্রচারণায় ব্যবহার করা হয়।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট এ বিষয়ে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। নোটিশে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ, কপিরাইট আইন লঙ্ঘনের জন্য দুঃখপ্রকাশ এবং প্রতিটি গানের জন্য ১০ কোটি টাকা করে মোট ২০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়। তবে গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর বা সন্তোষজনক প্রতিকার না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে শাহ নূর জালালের আইনজীবী রাজিব আহমেদ বলেন, শাহ আবদুল করিমের গান কেবল সংগীত নয়— এগুলো বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের অংশ। ‘রেশমা বালুচ’ ও ‘কোন মিছির কোন বানাইছ’ গান দুটি গ্রামীণফোন অনুমতি ছাড়াই বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করেছে, যা কেবল আইন লঙ্ঘনই নয়, বরং শিল্পীর অসম্মানও।

বাদী শাহ নূর জালাল বলেন, আমরা গ্রাম্য মানুষ, বড় কোম্পানির নিয়ম বুঝি না। কিন্তু বাবার গানের কপিরাইট আমাদের। অনেকে গান করেন, সেটা ভিন্ন বিষয়। কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠান যখন বিজ্ঞাপন বা বাণিজ্যিক কাজে গান ব্যবহার করে, তখন তাদের অনুমতি নেওয়া উচিত এবং আমাদের ন্যায্য সম্মান, অধিকার ও অংশ দেওয়া উচিত। গ্রামীণফোন তা করেনি। তাই আমরা মামলা করতে বাধ্য হয়েছি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com