বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন
Title :
কুলিয়ারচরে সড়কে দুর্ঘটনার পর লাগলো সতর্কতা সাইনবোর্ড: কিন্তু প্রাণহানির দায় কার? ঈদ পুনর্মিলনীতে ডা. শফিক ইসলামী ব্যাংক নিয়ে টানাটানির সুযোগ দেব না কুলিয়ারচরে দ্বারিয়াকান্দি-ডুমরাকান্দা সড়কে ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে দুইটি দূর্ঘটনা-টনক নড়েনি কর্তৃপক্ষের মাদক ও বাল্য বিবাহ নিরোধে জেলা প্রশাসকের সচেতনাতামূলক সভা জামালপুরে পুকুর থেকে অটোভ্যান সহ এক নবমুসলিমের লাশ উদ্ধার চট্টগ্রাম বাঁশখালীতে পিকআপ-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষ: যুবক নিহত, আশঙ্কাজনক অবস্থায় চমেকে ৩ ফটিকছড়িতে বাসের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত: উত্তপ্ত মহাসড়ক, বাসে অগ্নিসংযোগ চট্টগ্রাম শাহ আমানতে যৌথ অভিযান: ৩৪ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেটসহ আটক ৩ চট্টগ্রামে আবার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, নগরজুড়ে তোলপাড় ​জিইসি মোড় এলাকায় শতাধিক নেতাকর্মীর স্লোগান, ভিডিও ভাইরাল জামালপুরে হিটস্ট্রোকে এক কৃষকের মৃ/ত্যু

গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে শাহ আবদুল করিমের ছেলের মামলা, ২০ কোটি ক্ষতিপূরণ দাবি

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০১ Time View
124

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) ঢাকা জেলা জজ আদালতে শাহ আবদুল করিমের একমাত্র পুত্র ও কপিরাইট উত্তরাধিকারী শাহ নূর জালাল বাদী হয়ে এ মামলা করেন। মামলায় গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহীসহ মোট ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ ও আইনজীবীর নোটিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রামীণফোন কোনো ধরনের অনুমতি বা লাইসেন্স ছাড়াই শাহ আবদুল করিমের কপিরাইটযুক্ত গানগুলো পুনরুৎপাদন, প্রচার, ডিজিটাল মাধ্যমে আপলোড এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করেছে। বিশেষভাবে ‘রেশমা বালুচ’ এবং ‘কোন মিছির কোন বানাইছ’ — এই দুটি গান ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন টিভি বিজ্ঞাপন ও ডিজিটাল প্রচারণায় ব্যবহার করা হয়।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট এ বিষয়ে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। নোটিশে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ, কপিরাইট আইন লঙ্ঘনের জন্য দুঃখপ্রকাশ এবং প্রতিটি গানের জন্য ১০ কোটি টাকা করে মোট ২০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়। তবে গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর বা সন্তোষজনক প্রতিকার না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে শাহ নূর জালালের আইনজীবী রাজিব আহমেদ বলেন, শাহ আবদুল করিমের গান কেবল সংগীত নয়— এগুলো বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের অংশ। ‘রেশমা বালুচ’ ও ‘কোন মিছির কোন বানাইছ’ গান দুটি গ্রামীণফোন অনুমতি ছাড়াই বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করেছে, যা কেবল আইন লঙ্ঘনই নয়, বরং শিল্পীর অসম্মানও।

বাদী শাহ নূর জালাল বলেন, আমরা গ্রাম্য মানুষ, বড় কোম্পানির নিয়ম বুঝি না। কিন্তু বাবার গানের কপিরাইট আমাদের। অনেকে গান করেন, সেটা ভিন্ন বিষয়। কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠান যখন বিজ্ঞাপন বা বাণিজ্যিক কাজে গান ব্যবহার করে, তখন তাদের অনুমতি নেওয়া উচিত এবং আমাদের ন্যায্য সম্মান, অধিকার ও অংশ দেওয়া উচিত। গ্রামীণফোন তা করেনি। তাই আমরা মামলা করতে বাধ্য হয়েছি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com