শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন
Title :
শ্রীবরদী সীমান্তে ফের ১১ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ, বাড়ছে চোরাচালান আতঙ্ক ইবির ‘হাতিরঝিল’ খ্যাত মীর মুগ্ধ সরোবর এখন ময়লা-আবর্জনা-কচুরিপানার দখলে বান্দরবানের থানচিতে বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য ও মূল্যবান কাঠ পাচারের অভিযোগ রামগঞ্জের একমাত্র শিশু পার্ক এখন গোচারণভূমি ও মাদকের আড্ডা! সুন্দরগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন: সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজল হককে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন নাটোরে ছাত্রী ধর্ষণ মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত শিক্ষক জামিনে মুক্ত হয়ে বাদীকে হত্যার হুমকি গাজীপুরে এলপিজির বাজারে একচ্ছত্র আধিপত্য: ১,৫৮৫ টাকার সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২,৫০০ টাকায় গাজীপুরে সিলিন্ডার গ্যাসের বাজারে সিন্ডিকেট: ১৫৮৫ টাকার এলপিজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০০ টাকায় কুড়িগ্রামে নির্মাণাধীন সোনাহাট সেতুর পাশে অবৈধ বালু উত্তোলন, ঝুঁকিতে সেতু ও তীর রক্ষা বাঁধ

গাজীপুরে সিলিন্ডার গ্যাসের বাজারে সিন্ডিকেট: ১৫৮৫ টাকার এলপিজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০০ টাকায়

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫ Time View
8

প্রতিবেদক: মোঃ কামরুজ্জামান

গাজীপুর জেলার এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) বাজারে জননী ট্রেডার্স নামক একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার বিক্রির গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় ভোক্তারা। বাজারদর নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কঠোর নজরদারির পাশাপাশি এলাকায় নতুন ডিলার নিয়োগের জোরালো দাবি জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জয়দেবপুরে অবস্থিত জননী ট্রেডার্স মূলত বিএম ও টিএমএস ব্র‍্যান্ডের গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ করে থাকে। গাজীপুর সদর, জয়দেবপুর এবং বাসন থানা এলাকাজুড়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৬৫ শতাংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫৮ শতাংশ বেশি মূল্য আদায়ের অভিযোগ

গত ২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করে দেয়। অথচ গাজীপুরের বিভিন্ন খুচরা বাজারে একই পরিমাণ গ্যাস ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর ফলে ভোক্তাদের প্রতিটি সিলিন্ডারের জন্য অতিরিক্ত ৯১৫ টাকা বা প্রায় ৫৮ শতাংশ বেশি মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে।

সরবরাহ ঘাটতি না কি কৃত্রিম সংকট?

ভোক্তাদের অভিযোগ, সুপরিকল্পিতভাবে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এই চড়া দাম আদায় করা হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় নিয়মিত সরবরাহ না থাকায় স্থানীয় ক্রেতারা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। তবে এই সংকটের পেছনে পরিবহন জটিলতা, মজুতদারি নাকি ডিলারদের ইচ্ছাকৃত কারসাজি রয়েছে, তা নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।

প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা ও বিকল্প ডিলারের দাবি

এ ধরনের অনিয়ম চললেও কার্যকর কোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বাজারে প্রতিযোগিতা ফিরিয়ে আনতে এবং একচেটিয়া দৌরাত্ম্য ভাঙতে বিএম ও টিএমএস ব্র্যান্ডের আরও নতুন ডিলার বা অনুমোদিত বিক্রয়কেন্দ্র চালুর দাবি জানিয়েছেন তারা।

আইনগত পদক্ষেপের দাবি

সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে গাজীপুর জেলা প্রশাসন, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং বিইআরসি-এর প্রতি দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এলাকাবাসী। তাদের মতে, অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য বন্ধে নিয়মিত বাজার তদারকি নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com