সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
Title :
কুলিয়ারচরে ২ হাজার ৪০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম নেইমারকে নিয়ে আনচেলত্তির সিদ্ধান্ত ভুল, বলেছেন ব্রাজিলের সাবেক ফুটবলার ২০২৭ সালের গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ এইচএসসির তৃতীয় দিনে বহিষ্কার ৫০ শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী প্রতিশোধ-প্রতিহিংসার রাজনীতি বিশ্বাস করেন না: চিফ হুইপ জুন মাসে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ সাবেক ছাত্রলীগ নেতার কাছ থেকে ক্রেস্ট নিলেন কুমিল্লার ডিসি আমেরিকাকে হাঁটু গেড়ে বসিয়েছে ইরান, ভারতীয় পন্ডিতের বক্তব্য ভাইরাল তেহরানে খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে জনসমুদ্র শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা নেই: রুমিন ফারহানা

চলতি মাসেই আদানীর বকেয়ার ১০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হবে: জ্বালানি উপদেষ্টা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০৬ Time View
102

বিদ্যুৎ, জ্বালানিখনিজসম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান যুগান্তরকে বলেছেন, চলতি মাসের মধ্যে আদানীর বকেয়া বাবদ ১০০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হবে

তিনি বলেন, আদানির সঙ্গে কিছু বিষয় নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছেআদানির দুর্নীতির বিষয়ে হাইকোর্টে একটি রিট হয়েছেসেগুলোকে মাথায় রেখে আমরা অন প্রটেস্ট আংশিক পেমেন্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি

ভারতীয় কোম্পানি আদানির বকেয়া বাবদ বকেয়া বিল পেমেন্টের দাবিতে বাংলাদেশকে আল্টিমেটাম দিয়েছিলবকেয়া ৪৯৬ মিলিয়ন ডলার না পেলে ১১ নভেম্বর থেকে বিদ্যুসরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে কোম্পানিটিজানা গেছে, আদানীর বিষয়ে সোমবার বেশ কয়েকটি মিটিং হয়

নভেম্বর মাসের শুরুতে বকেয়া পেমেন্টের জন্য চিঠি দিয়ে আল্টিমেটাম দেয়এতে বকেয়া ৪৯৬ মিলিয়ন ডলার ১০ নভেম্বরের মধ্যে পরিশোধ করতে বলা হয়চিঠিতে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির ধারা ১৩.২ (১) এবং (২) উদ্ধৃত করে, আদানি পাওয়ার বলেছে, বিপিডিবি বকেয়া পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় কোম্পানিটি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থগিত করার অধিকার পেয়েছে। যদি ১০ নভেম্বরে মধ্যে সমস্ত বকেয়া পরিশোধ না করা হয়, তাহলে ১১ নভেম্বর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থগিত করা ছাড়া আমাদের আর কোন বিকল্প থাকবে না।

আদানি তার চিঠিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলেও, স্থগিতের ঠিক আগে নির্ভরযোগ্য ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে ক্যাপাসিটি পেমেন্ট পাওয়ার অধিকার তাদের থাকবে বলে উল্লেখ করেছে।

বকেয়ার পরিমাণ নিয়ে বাংলাদেশ এবং আদানির মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। আদানি ৪৯৬ মিলিয়ন ডলার বকেয়া দাবি করলেও বাংলাদেশ বলছে ২৬২ মিলিয়ন ডলার। এরমধ্যে কয়লার দাম এবং বিলম্ব জরিমানা ইস্যু জড়িত। আদানি কয়লার আন্তর্জাতিক দর অনুযায়ী দাবি করলেও বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ার ইনডেক্স অনুযায়ী দর কষে যাচ্ছে। এখানে বিশাল পার্থক্য রয়েছে।

ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের গোড্ডায় অবস্থিত আদানি গ্রুপের ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি থেকে ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করে বাংলাদেশ। যা চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর হয়ে বাংলাদেশে আসে। আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে গড়ে ৭৫০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয় ২০২৩ সালের মার্চে। দ্বিতীয় ইউনিট থেকে উৎপাদন শুরু হয় জুনে।

২০১৭ সালে আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি করে পিডিবি। চুক্তি অনুসারে আদানি গ্রুপের কোম্পানি আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি থেকে ২৫ বছর বিদ্যুৎ কিনে নেবে পিডিবি।

আদানির ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির চুক্তি নিয়ে অনেক দিন ধরেই নানান কথা হচ্ছে। বাংলাদেশের একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি তদন্ত করে চুক্তিতে অনেক অসঙ্গতির কথা তুলে ধরেছে। বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. ফাওজুল কবির খান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, আদানির চুক্তিতে যদি কোন রকম অনিয়ম পাওয়া যায়, তাহলে বাতিল করতে দ্বিধা করবো না। মুখের কথা আদালত মানতে চাইবে না, যথাযথ কারণ থাকতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com