বিএমএ’র ৯০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের কুচকাওয়াজ সম্পন্ন: সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আধুনিক ও দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর বিকল্প নেই: সেনাপ্রধান
Reporter Name
Update Time :
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
৩
Time View
বিএমএ’র ৯০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের কুচকাওয়াজ সম্পন্ন: সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আধুনিক ও দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর বিকল্প নেই: সেনাপ্রধান
জাহাঙ্গীর আলম বিশেষ প্রতিনিধি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একটি দক্ষ, আধুনিক ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সেনাবাহিনীর বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, "এই বাহিনীর নেতৃত্বের মূল দায়িত্ব পালন করেন সেনা কর্মকর্তারা। পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে নানামুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।" বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) ৯০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। "দক্ষ, মেধাবী ও যুগোপযোগী নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শৃঙ্খলা, আনুগত্য, ন্যায়পরায়ণতা ও कर्तव्यবোধের উজ্জ্বল...
5
জাহাঙ্গীর আলম বিশেষ প্রতিনিধি
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একটি দক্ষ, আধুনিক ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সেনাবাহিনীর বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, “এই বাহিনীর নেতৃত্বের মূল দায়িত্ব পালন করেন সেনা কর্মকর্তারা। পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে নানামুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।”
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) ৯০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
”দক্ষ, মেধাবী ও যুগোপযোগী নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শৃঙ্খলা, আনুগত্য, ন্যায়পরায়ণতা ও कर्तव्यবোধের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দেশ-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।”
— জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, সেনাবাহিনী প্রধান
১৮৪ ক্যাডেটের কমিশন লাভ
তিন বছরের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে এই কোর্স থেকে মোট ১৮৪ জন অফিসার ক্যাডেট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেছেন। এর মধ্যে ১৬৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী কর্মকর্তা রয়েছেন। এছাড়া ফিলিস্তিন, তানজানিয়া, জাম্বিয়া ও মালদ্বীপের ৭ জন বিদেশি ক্যাডেটও বিএমএ থেকে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে নিজ নিজ দেশের সেনাবাহিনীতে যোগদানের যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
সেরাদের স্বীকৃতি ও পুরস্কার
অনুষ্ঠানে চৌকস ক্যাডেটদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সেনাপ্রধান।
৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার খায়রুল ইসলাম সেরা চৌকস ক্যাডেট হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ ‘সোর্ড অব অনার’ এবং সামরিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য ‘সেনাবাহিনী প্রধান স্বর্ণপদক’ অর্জন করেন।
তানজানিয়ার সার্জেন্ট আবু বকর সর্বোত্তম বিদেশি ক্যাডেট হিসেবে ‘বিএমএ ট্রফি অব এক্সিলেন্স’ লাভ করেন।
শপথ ও র্যাঙ্ক-ব্যাজ পরিধান
প্যারেড গ্রাউন্ডে নবীন কর্মকর্তারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার গৌরবময় শপথ গ্রহণ করেন। কুচকাওয়াজ শেষে আবেগঘন পরিবেশে মা-বাবা ও অভিভাবকরা নবীন কর্মকর্তাদের র্যাঙ্ক-ব্যাজ পরিয়ে দেন।
নতুন ব্যাটালিয়ন ও একাধিক স্থাপনা উদ্বোধন
অফিসার ক্যাডেটদের প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিএমএ-তে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘দ্বিতীয় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন’-এর কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সেনাপ্রধান আশা প্রকাশ করেন, আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে এই ব্যাটালিয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠান শেষে সেনাবাহিনী প্রধান নবগঠিত এই ব্যাটালিয়ন উদ্বোধনের পাশাপাশি নবনির্মিত সিএমএইচ ভাটিয়ারি, বিএমএ পার্ক, সুইমিং পুল এবং এমইএস অফিস কমপ্লেক্সের ফলক উন্মোচন করেন।
মনোজ্ঞ এই কুচকাওয়াজে দেশি-বিদেশি উচ্চপদস্থ সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথি, নবীন কর্মকর্তাদের অভিভাবক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।