আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ শনিবার জাতীয় শোনানীতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র গ্রহণ করে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। বিচারিক প্যানেলের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের মিশন এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন অভিযোগ দাখিলের পর পলাতকদের গ্রেফতারি পারোয়ানার আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৫ আগস্ট দিন ধার্য করেন।
মামলাটি জুলাই আন্দোলনের সময় সাভারে ঘটানো হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত; তখন পুলিশের একটি সাঁজোয়া যান (এপিসি) থেকে টেনে নামিয়ে মিরপুরের মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শাইখ আসহাবুল ইয়ামিনকে হত্যা করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই সংঘটিত ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর যথাক্রমে রাষ্ট্রপক্ষ তদন্ত শেষে এই হত্যা মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে।
মামলায় মোট ১৯ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম পলাতক। অন্যান্য অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক এসপি মো. আসাদুজ্জামান, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, সাভার সার্কেলের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিদুল ইসলাম, সাভার থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহজামান, সাবেক পরিদর্শক এএফএম সায়েদ, সাবেক এএসআই মোহাম্মদ আলী, সাবেক নায়েক মো. সুহেল মিয়া ও সাবেক কনস্টেবল মো. মাহফুজ মিয়া। স্থানীয় রাজনীতিক ও উন্মুখ নেতাদের মধ্যে আছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজিব, সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি মো. আতিকুর রহমান, তেতুলঝোড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর, সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মেহেদী হাসান তুষার ও অন্যান্য নেতারা।