শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন
Title :
সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করতে জ্বালানি সংকট নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়েছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অর্থনৈতিক সংকটেও যুক্তরাষ্ট্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা পাকিস্তানের হাদি ইস্যুতে মন্তব্য ঘিরে মমতার বিরুদ্ধে ফের অভিযোগ কমিশনারের ট্রাফিক আইন ভাঙার বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দিল ডিএমপি ভৈরব রেলস্টেশনে প্ল্যাটফর্ম দখল নিয়ে সংঘর্ষ, ৮ পুলিশসহ আহত ৩০ বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল জিয়াউর রহমানের আদর্শই গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পথ দেখায়: আইনমন্ত্রী শত্রুর চক্রান্ত ব্যর্থ করতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান মোজতবা খামেনির রংপুরে থানায় আটকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ‘পিটুনি’, ওসিসহ ৫ পুলিশ প্রত্যাহার

মা-মেয়েকে হত্যার পর স্কুল ড্রেস পরে পালান গৃহকর্মী

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৯২ Time View
116

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের একটি বাসায় মা-মেয়েকে গলা কেটে হত্যার পর মেয়ের স্কুলের ড্রেস পরে বাসা থেকে বের হয়ে যান ওই বাসার গৃহকর্মী। চার দিন আগে তিনি বাসাটিতে কাজ শুরু করেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির দারোয়ানকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। ‎সোমবার (৮ নভেম্বর) সকালে মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের একটি বাসা থেকে মা ও মেয়ের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, চার দিন আগে নিহতদের বাসায় কাজ শুরু করেন পালিয়ে যাওয়া গৃহকর্মী। সে সময় তিনি নিজের নাম আয়েশা বলে পরিচয় দেন। তার বিস্তারিত পরিচয় খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

‎ভবনের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিহত মালাইলা আফরোজ গৃহিণী।

মেয়ে নাফিসা বিনতে আজিজ মোহাম্মদপুরের প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। নাফিসার বাবা এম জেড আজিজুল ইসলাম পেশায় শিক্ষক। তিনি উত্তরার সানবিমস স্কুলে ফিজিক্স পড়ান।‎

ভবনের একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নাফিসার বাবা স্কুলের উদ্দেশে সকাল ৭টার দিকে বের হয়ে যান।

সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে কাঁধে স্কুল ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস পরে বের হয়ে যান গৃহকর্মী আয়েশা। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নাফিসার বাবা বাসায় ফিরে স্ত্রী ও মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান।

‎তিনি বলেন, আমাদের বাসায় একজন কাজের মহিলা দরকার ছিল। সাধারণত গেটে অনেকেই কাজের সন্ধানে আসে। চার দিন আগে একটি মেয়ে আসে।

বোরকা পরিহিত মেয়েটি আমাদের বাসার দারোয়ান খালেকের কাছে কাজের সন্ধান করলে সে আমাদের বাসায় পাঠিয়ে দেয়।
আজিজুল ইসলাম জানান, এরপর আমার স্ত্রী মেয়েটির সঙ্গে কথা বলে কাজে রেখে দেয়। পরে আমি স্ত্রীর মুখে শুনেছি, মেয়েটার নাম আয়েশা। বয়স আনুমানিক ২০ বছর। তার গ্রামের বাড়ি রংপুর। জেনেভা ক্যাম্পে চাচা-চাচির সঙ্গে থাকে। বাবা-মা আগুনে পুড়ে মারা গেছে। তার শরীরেও আগুনে পোড়ার ক্ষত রয়েছে।


‎তিনি আরো বলেন, মেয়েটা কাজ শুরুর পর প্রথম দুদিন সময়মতো এসেছে। গতকাল সে সাড়ে ৯টার দিকে আসে। আজ কী হয়েছে এটা তো আর বলার অবস্থায় নেই।

‎পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার ইবনে মিজান জানান, পুলিশ সাড়ে ১১টার দিকে খবর পেয়ে একটি লাশ পায়। মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, নেওয়ার পর সেও মারা গেছে। পরে লাশ দুটি সুরতহালের পর ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো হয়। আমরা প্রাথমিকভাবে কিছু তথ্য পেয়েছি, সেসব যাচাই-বাছাই চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com