নিউজ ডেস্ক:
দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে চলমান তীব্র সংকট, সিস্টেম লস এবং ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট বন্ধ না করে দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পেছনে সরকারের নিজস্ব সিন্ডিকেট সরাসরি জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুতর অভিযোগ করেন। জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণ শাখার যৌথ উদ্যোগে দেশব্যাপী জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির তাৎক্ষণিক প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন করা হয়।
জামায়াত নেতা সরকারের নীতি ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ‘বিদ্যুৎমন্ত্রী দেশের মানুষকে স্পষ্ট কথা দিয়েছিলেন যে আগামী দুই বছরের মধ্যে সরকার বিদ্যুতের দাম বাড়াবে না। অথচ সেই কথার তিন মাস যেতে না যেতেই আবারও দাম বাড়িয়ে জনগণের ওপর চরম ভোগান্তি চাপিয়ে দেওয়া হলো। এইভাবে সামনের দিনগুলোতে জনগণের রক্ত চুষে খাওয়ার যে রূপরেখা সরকার নিয়েছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষ আজ গভীর আতঙ্কিত।’
সমাবেশে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কারিগরি কমিটির প্রস্তাবের চেয়েও বেশি মাত্রায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পেছনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ঋণ পাওয়ার শর্তকে দায়ী করে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর তীব্র সমালোচনা করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু সাহেব কেবল আইএমএফের কঠিন শর্ত পূরণ সরকারের জন্য পাঁচ বছর অনেক দীর্ঘ সময়। অথচ আপনাদের মাত্র তিন মাসেই দেশের যে নড়বড়ে অবস্থা তৈরি হয়েছে, তাতে মন্ত্রীরা যেখানেই যাচ্ছেন সাধারণ জনগণ মুখ ফিরিয়ে নিয়ে “ভুয়া, ভুয়া” বলে স্লোগান দিচ্ছে। তিন মাস পার হতে না হতেই যদি পাবলিক আপনাদের ভুয়া বলে প্রত্যাখ্যান করা শুরু করে, তবে সামনের দিনগুলোতে আপনাদের জন্য কী ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছে—তার জন্য এখন