শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
Title :
ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল জিয়াউর রহমানের আদর্শই গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পথ দেখায়: আইনমন্ত্রী শত্রুর চক্রান্ত ব্যর্থ করতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান মোজতবা খামেনির রংপুরে থানায় আটকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ‘পিটুনি’, ওসিসহ ৫ পুলিশ প্রত্যাহার তারেক রহমানের মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই: মির্জা ফখরুল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফানের সাক্ষাৎ বর্তমান সরকার আওয়ামী লীগের লাশকেও ভয় পায়: হাছান মাহমুদ প্রধানমন্ত্রীর নামে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য: এনসিপি নেতা আনোয়ার হোসেনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ জেল থেকে বের হয়ে ফের আটক আ. লীগ নেতা, বাবাকে জড়িয়ে কাঁদলেন মেয়ে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

ছাত্র আন্দোলনে গুলির নির্দেশ নিয়ে তথ্য না দেওয়ায় ডিসি সারোয়ার আলমকে আদালতের শোকজ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪১ Time View
55

নিউজ ডেস্ক:
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলি চালানোর নির্দেশ কে দিয়েছিলেন, সে সংক্রান্ত তথ্য তদন্ত কর্মকর্তাকে সরবরাহ না করায় জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন আদালত।

সিলেটের আমলি আদালত নম্বর-২ এর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত তালুকদার গত ৮ ফেব্রুয়ারি এ আদেশ দেন বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মো. সারওয়ার আলম গণমাধ্যমকে জানান, তিনি এখনো নোটিশটি পাননি, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট দুপুরে গোলাপগঞ্জ উপজেলার ধারাবহর এলাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে তাজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। নিহতের স্ত্রী রুলী বেগম এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং অভিযোগ করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে তার স্বামী নিহত হয়েছেন।

পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন সিলেটের পরিদর্শক নূর মোহাম্মদকে।

তদন্তের স্বার্থে গত বছরের ২২ এপ্রিল তিনি জেলা প্রশাসক ও বিজিবির শ্রীমঙ্গল সেক্টর সদর দপ্তরের উপ-মহাপরিচালকের কাছে পৃথকভাবে তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেয়ে আবেদন করেন। জেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ঘটনাদিনে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন, আর বিজিবির কাছে চাওয়া হয় ঘটনাস্থলে দায়িত্বে থাকা সদস্যদের তালিকা।

আদালত সূত্র জানায়, বিজিবি প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করলেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা দেওয়া হয়নি। পরে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে বিষয়টি অবহিত করলে গত বছরের ১৫ জুন আদালত জেলা প্রশাসক ও বিজিবির উপ-মহাপরিচালককে ১৫ দিনের মধ্যে তথ্য সরবরাহের নির্দেশ দেন।

জেলা প্রশাসনের জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখা থেকে গোলাপগঞ্জের সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হলেও পরবর্তীতে আর কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে জানা গেছে। কয়েক দফা নির্দেশের পরও তথ্য না পাওয়ায় আদালত ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এ পরিস্থিতিতে ৮ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়। আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়, প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়ায় তদন্ত দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট মামলা দায়ের হলেও এখনো তদন্ত শেষ হয়নি, ফলে বিচারকার্য শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। আদালতের নির্দেশ অমান্য করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ এবং এটি আদালত অবমাননার শামিল বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, কেন তার বিরুদ্ধে আইনগত বা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা ১৫ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com