শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন
Title :
সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করতে জ্বালানি সংকট নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়েছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অর্থনৈতিক সংকটেও যুক্তরাষ্ট্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা পাকিস্তানের হাদি ইস্যুতে মন্তব্য ঘিরে মমতার বিরুদ্ধে ফের অভিযোগ কমিশনারের ট্রাফিক আইন ভাঙার বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দিল ডিএমপি ভৈরব রেলস্টেশনে প্ল্যাটফর্ম দখল নিয়ে সংঘর্ষ, ৮ পুলিশসহ আহত ৩০ বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল জিয়াউর রহমানের আদর্শই গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পথ দেখায়: আইনমন্ত্রী শত্রুর চক্রান্ত ব্যর্থ করতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান মোজতবা খামেনির রংপুরে থানায় আটকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ‘পিটুনি’, ওসিসহ ৫ পুলিশ প্রত্যাহার

অনলাইনে বিনিয়োগের ফাঁদ, কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৯২ Time View
117

টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইন বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর নিজ বাসা থেকে নাদিম নামের ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সিআইডির ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানানো হয়, একটি বেসরকারি ব্যাংকের একজন সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসারের হোয়াটসঅ্যাপে অজ্ঞাত নম্বর থেকে একটি বার্তা আসে। বার্তা পাঠানো ব্যক্তি নিজেকে ‘নাজনীন’ নামে পরিচয় দিয়ে দাবি করে যে তিনি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম ‘আপওয়ার্ক’-এর প্রতিনিধি।

বাসায় বসে খণ্ডকালীন কাজের মাধ্যমে আয় করার প্রলোভন দেখালে ভুক্তভোগী সরল বিশ্বাসে প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন।
ইউটিউব সাবস্ক্রিপশনসহ কয়েকটি ছোট অনলাইন টাস্ক করিয়ে ভুক্তভোগীকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রথমে ১৫০ টাকা এবং পরে ২ হাজার ১০০ টাকা দিয়ে আস্থা তৈরি করা হয়। এরপর তাকে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত করা হয়, যেখানে ভুয়া সদস্যরা দাবি করেন, তারা নিয়মিত কাজ করে বড় অঙ্কের অর্থ উপার্জন করছেন। এতে ভুক্তভোগীর বিশ্বাস বেড়ে যায়।

পরের ধাপে বড় টাস্কের কথা বলে প্রতারকরা ‘ক্রিপ্টো অ্যাকাউন্ট’ খুলতে ২ হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে বলে। এরপর জানানো হয়, আরো ৩ হাজার টাকা বিনিয়োগ করলে তার ব্যালেন্স ৭ হাজার টাকা দেখাবে এবং তিনি অর্থ তুলতে পারবেন। ভুক্তভোগী টাকা পাঠানোর পর তাকে ‘ভিআইপি টাস্ক গ্রুপে’ যুক্ত করা হয়, যার অ্যাডমিন ছিলেন হামজা নামে একজন। গ্রুপে দেখানো হয় যে সবার অ্যাকাউন্টে ৭ হাজার টাকা জমা রয়েছে।

সিআইডি জানায়, টাকা তুলতে চাইলে ভুক্তভোগী ব্যক্তিকে জানানো হয়, ক্যাশ আউটের জন্য আরো ১৫ হাজার ৮০০ টাকা দিতে হবে। সরল বিশ্বাসে তিনি টাকা দেন। তবে ব্যালেন্স প্রদর্শনে অসঙ্গতি দেখে তিনি বিষয়টি জানতে চাইলে নতুন টাস্ক ও নতুন শর্ত আরোপ করা হয়। এভাবে একের পর এক টাস্ক, বড় লাভের প্রলোভন এবং ভুয়া হিসাব দেখিয়ে প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে মোট ১ কোটি ১০ লাখ ৫৮ হাজার ৩০৫ টাকা হাতিয়ে নেয়।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী লালবাগ থানায় মামলা করেন।

মামলাটির তদন্তভার নিয়ে সিআইডির সিপিসি ইউনিটের একটি দল প্রতারক চক্রের সদস্য নাদিমকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন, এনআইডিসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com