আজ ৩০ মে বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবক্তা, বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বীর মক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী।
১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাকে হত্যা করে।
স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।
জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। এজন্য তাকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক বলা হয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে গঠিত সার্ক প্রতিষ্ঠারও স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন তিনি। জাতীয়তাবাদভিত্তিক একটি কালজয়ী রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
তার প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করে। শহীদ জিয়াউর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান বর্তমানে বিএনপির চেয়ারম্যান এবং নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দেশের মানুষের বিপুল আস্থা ও সমর্থন নিয়ে এবারসহ বিএনপি এ পর্যন্ত পাঁচবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালে ১৯ জানুয়ারি বগুড়া জেলায় এক সম্ভান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তিনি ছিলেন সাবেক সেনা প্রধান,বীর মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭৭ সালে সপ্তম রাষ্ট্রপতি হিসাবে বাংলাদেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্রগ্রামে এক সামরিক অভ্যীত্থানে তিনি নিহত হন।
প্রতি বছর ৩০ মে দিনটি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী হিসেবে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ পালন করে আসছে।