আজ সোমবার বিকাল ৩:৩০, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং, ৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১১ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪০ হিজরী

মুক্তি পাচ্ছে ‘হাসিনা অ্যা ডটার’স টেল’

নিউজ ডেস্ক | জাগো বার্তা .কম
আপডেট : নভেম্বর ৮, ২০১৮ , ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : বিনোদন
পোস্টটি শেয়ার করুন

সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমত ভাইরাল হয়ে যায় মুক্তি প্রতীক্ষিত একটি চলচ্চিত্রের ট্রেলার! দুই মিনিট ৪৮ সেকেন্ড এর ব্যাপ্তি। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট মানুষ থেকে শুরু করে সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও রাজনীতিকরাও তাদের টুইটার, ফেসবুক আর ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করছেন ট্রেলারটি!

কী সেই চলচ্চিত্র, যার ট্রেলার ছুঁয়ে গেল সর্ব স্তরের মানুষকে? বলা হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘হাসিনা অ্যা ডটার’স টেল’ চলচ্চিত্রটির কথা, যে ডকু- ড্রামার ট্রেলার প্রকাশ হওয়ার পর পরই চারদিকে হইচই পড়ে গেছে। চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন বিজ্ঞাপন নির্মাতা রেজাউর রহমান খান পিপলু। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রের মাত্র পৌণে তিন মিনিটের ট্রেলার দিয়েই তিনি সাড়া ফেলে দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭২তম জন্মদিন ২৮ সেপ্টেম্বর। তার ঠিক একদিন আগে ‘হাসিনা অ্যা ডটার’ স টেল’ নামের ডকু-ড্রামার ট্রেলার প্রকাশ হয়। আগামী ১৬ নভেম্বর মুক্তি পাবে ডকু- ড্রামাটি। সিনেমাহলে বাণিজ্যিকভাবে মুক্তি দেয়া হবে। দীর্ঘ পাঁচ বছরের অক্লান্ত প্রচেষ্টার ফল ৭০ মিনিট ব্যাপ্তির ‘হাসিনা অ্যা ডটার’স টেল’ চলচ্চিত্রটি।

চলচ্চিত্রে পরিচালক পিপলু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবনের দুঃখ-বিষাদ, ব্যক্তিগত আখ্যান, আর নৈকট্যের গল্পগুলোকে তুলে ধরেছেন তার নিজস্বতায়। একটি স্বাধীন ও তাৎপর্যময় দৃষ্টিভঙ্গির মধ্য দিয়ে তিনি তুলে ধরেছেন একজন অনন্য নায়কের জীবনের আরেক অধ্যায়, যা তার একান্ত ব্যক্তিগত হয়েও একটা জনপদের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে।

‘হাসিনা’ চলচ্চিত্রটি নিয়ে নির্মাতা জানান, কখনো তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা, কখনো জননী, কখনো বোন, কখনো গণমানুষের ত্রাতা রূপে আবির্ভূত হন যে জননেত্রী তার একটি প্রতিকৃতি এই চলচ্চিত্র।

৭০ মিনিটের ডকু-ড্রামায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালা বদলের ইতিহাসও উঠে আসবে জানিয়ে পিপলু বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রবাহকে প্রতিনিধিত্ব করেন শেখ হাসিনা। আর তাই তার উত্থান নতুন বাংলাদেশের সৃষ্টির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সিনেমাটিতেও প্রতিফলিত হয়েছে এই ধারণাগুলো, যেখানে উঠে এসেছে সেই রাজনৈতিক পালা বদল আর রক্তাক্ত ইতিহাসের কথা, যার পরতে পরতে রয়েছে অশ্রু আর ক্ষরণ।

আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন’- এর প্রযোজনা ও পিপলুর পরিচালনায় চলচ্চিত্রটির সিনেমাটোগ্রাফার হিসেবে ছিলেন সাদিক আহমেদ। সম্পাদনায় ছিলেন নবনীতা সেন এবং সংগীতে আছেন ভারতের বিখ্যাত মিউজিশিয়ান দেবজ্যোতি মিশ্র।