আজ সোমবার বিকাল ৪:১১, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং, ৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১১ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪০ হিজরী

বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে…: সুনামগঞ্জ ডিসি

নিউজ ডেস্ক | জাগো বার্তা .কম
আপডেট : জুলাই ৩১, ২০১৭ , ৫:৫২ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : দেশজুড়ে,সিলেট
পোস্টটি শেয়ার করুন

‘বাংলাদেশের ইতিহাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো ক্ষণজন্মা মানুষের জন্ম না হলে আজো এই দেশ স্বাধীন হতো না। আজ তারই সুযোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বের কারণে প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধা সম্মান পাচ্ছেন এবং তাদের বেতন ভাতাও সম্মানজনকভাবে বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। যুদ্ধকালীন সময়ে সুনামগঞ্জের ট্যাকেরঘাট, ডলুরা, মহেষখলা ও বাশঁতলায় যেসব সাব-সেক্টর রয়েছে বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন জেলায় একসাথে এতগুলো সাব-সেক্টর নেই। তাই স্বাধীনতাযুদ্ধের এই স্মৃতিজড়িত সুনামগঞ্জ জেলার মানুষ সত্যি ধন্য। সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টায় মুক্তিযুদ্ধে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ট্যাকেরঘাট সাব-সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্মিলনী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক বলেন, তাদের শুধু মৎস্য, পাথর আর বোরো ধানের উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে হবে না।

তিনি উন্নয়নশীল বিশ্বের ধনী দেশ হিসেবে সিঙ্গাপুরের সাথে সুনামগঞ্জকে তুলনা করে বলেন, অপার সম্ভাবনাময় এই জেলায় যদি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিজড়িত এলাকাগুলোতে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়- তাহলে  প্রতিনিয়ত দেশ-বিদেশের পর্যটকদের একটি প্রাণকেন্দ্র হয়ে গড়ে উঠবে এই জেলা। তখন নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের পাশাপাশি দেশ-বিদেশের আগত পর্যটকরাও এখানকার বীর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে ধারণা নেবে এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবে এই জেলার মানুষ।

তিনি বলেন, এ জেলার প্রত্যেকটি উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণসহ যাদুঘর ও পাঠাগার স্থাপন করা হবে।

এজন্য প্রশাসনের  কর্মকর্তা, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও সচেতন মানুষজনের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টকে কার্যকর করা হবে। যেসব মুক্তিযোদ্ধাদের জায়গা আছে, অথচ বাড়ি নেই তাদেরকে সরকারি উদ্যোগে বাড়ি তৈরি করে দেব। আগামী দুই দিনের মধ্যে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সুনামগঞ্জ জেলা ইউনিট কমান্ডের দায়িত্ব নেবে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন।

যুদ্ধকালীন কোম্পানি কমান্ডার বীর-মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আলী আমজাদ (বড় ভাই)-এর  সভাপতিত্বে ও মো. আব্দুস শাহীদ তালুকদারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পৌর মেয়র আয়ূব বখত জগলুল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, জেলা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. আবুল কালাম, সাবেক অধ্যক্ষ পরিমল কান্তি দে, সিনিয়র আইনজীবী স্বপন কুমার দেব, অ্যাডভোকেট রইছ উদ্দিন আহমদ, জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট পীর মতিউর রহমান, যুদ্ধকালীন কোম্পানি কমান্ডার মোজাহিদ উদ্দিন আহমদ, কোম্পানি কমান্ডার গোলাম মোস্তফা, কোম্পানি কমান্ডার এস.এন.এম মাহমুদুর রসুল (যোদ্ধাহত), তাহিরপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা রৌজ আলী, মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল হান্নান, মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।